বাংলাদেশ এ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৪ ডিসেম্বর ২০১৪

ভিশন ও মিশন

এ্যাক্রেডিটেশন সেবার মাধ্যমে জাতীয় মান অবকাঠামো (National Quality Infrastructure) ও সাযুজ্য নিরূপণ পদ্ধতি (Conformity Assessmen System) প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় সহযোগিতা এবং দেশীয় পণ্য ও সেবার মানোন্নয়ন, ভোক্তা অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং রপ্তানী বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ এ্যাক্রেডিটেশন আইন, ২০০৬ অনুসারে বাংলাদেশ এ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড গঠিত হয়।বিএবি আন্তর্জাতিক মান এবং গাইডলাইন অনুসারে বিভিন্ন পরীক্ষাগার, সনদপ্রদানকারী সংস্থা, পরিদর্শন সংস্থা এবং প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানকে এ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রদান করে। দেশীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশী পণ্য ও সেবার গুণগত মানের স্বীকৃতি ও গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি এবং রপ্তানী বাণিজ্য সম্প্রসারনের লক্ষ্যে এ বোর্ড কাজ করে যাচ্ছে।

ভিশন
বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যে পরীক্ষণ ও পরিমাপ ক্ষেত্রে জাতীয় সক্ষমতার উন্নতি সাধনের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, প্রতিযোগীতামূলক বাজারে টিকে থাকার সক্ষমতা অর্জন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ ও বাণিজ্য ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা দূর করা।
মিশন
১.    পরীক্ষা এবং পরিমাপ ক্ষেত্রে সঠিক পরিমাণ অনুশীলনে উৎসাহ প্রদানের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখা।
২.    সাযুজ্য নিরূপণ (ঈড়হভড়ৎসরঃু অংংবংংসবহঃ) বিষয়ে আস্থা বৃদ্ধি করা।
৩.    দেশ ও দেশের বাইরে জাতীয় সাযুজ্য পদ্ধতির পক্ষে প্রচারণা চালানো।

বাংলাদেশ এ্যাক্রেডিটেশন বোর্ডের প্রধান প্রধান কার্যাবলী
ক) পরীক্ষাগার, সনদ প্রদানকারী সংস্থা, পরিদর্শন সংস্থা, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিকে এ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রদান, নবায়ন, প্রত্যাখান, স্থগিতকরণ ও বাতিলকরণ।
খ) পরীক্ষাগার, সনদ প্রদানকারী সংস্থা, পরিদর্শন সংস্থা, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিকে এ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রদানে নির্ণায়ক ও শর্তসমূহ নির্ধারণ এবং উক্ত নির্ণায়ক ও শর্তসমুহের মান উন্নয়ন করা।
গ) ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর স্ট্যান্ডার্ডাইজেশন (ISO), ইন্টারন্যাশনাল ইলেকট্রো টেকনিক্যাল কমিশন (IEC) ও অনুরুপ কোন জাতীয়, আঞ্চলিক বা আন্তর্জাতিক  প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নির্ধারিত ও প্রদত্ত দিক নির্দেশনা ও মানে বর্ণিত নির্দেশাবলী অনুযায়ী বোর্ড পরিচালনা এবং এ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রদান।
ঘ) এ্যাক্রেডিটেশন কার্যক্রমে জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করা।
ঙ) এ্যাক্রেডিটেশনের ক্ষেত্রে জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রদান করা।
চ) এ্যাক্রেডিটেশন বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উৎসাহ সৃষ্টি ও এ্যাক্রেডিটেশন কর্মকান্ডের উন্নয়ন, প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা, সেমিনার ও সিম্পোজিয়াম ইত্যাদির আয়োজন এবং এ্যাক্রেডিটেশন সংক্রান্ত তথ্যাদির প্রচারের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করা।
ছ) আন্তঃরাষ্ট্র, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সাথে পারস্পরিক স্বীকৃতির ভিত্তিতে বহুমাত্রিক স্বীকৃতির ব্যবস্থা করা।
জ) চুক্তিভিত্তিক অ্যাসেসর নিয়োগ করা এবং
ঝ) উপরে বর্ণিত কার্যাবলীর সাথে প্রাসঙ্গিক বা আনুষঙ্গিক অন্য সকল কর্মকান্ড সম্পাদন করা।

 


Share with :
Facebook Facebook