বাংলাদেশ এ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৮ জানুয়ারি ২০১৫

প্রেস বিজ্ঞপ্তি - বাংলাদেশ এ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি) এ্যাক্রেডিটেশন সেবার জন্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি (APLAC MRA) অর্জন করেছে।


প্রকাশন তারিখ : 2015-01-18

এ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রদানের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল বিএবি

ঢাকা, ০৫ মাঘ (১৮ জানুয়ারি)ঃ

দেশে প্রতিষ্ঠিত টেস্টিং ল্যাবরেটরিগুলোকে (ঞবংঃরহম খধনড়ৎধঃড়ৎু) আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য এ্যাক্রেডিটেশন সার্টিফিকেট প্রদানের সক্ষমতা অর্জন করল শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ এ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি)। ৮ জানুয়ারি হংকংয়ে অনুষ্ঠিত এশিয়া প্যাসিফিক ল্যাবরেটরি এ্যাক্রেডিটেশন কো-অপারেশন (অচখঅঈ) এর পারস্পরিক স্বীকৃতি বিষয়ক সভায় (গঁঃঁধষ জবপড়মহরঃরড়হ অৎৎধহমবসবহঃ ঈড়ঁহপরষ/গজঅ ঈড়ঁহপরষ) বিএবি এ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করে।

শিল্প মন্ত্রণালয় ভবনে অবস্থিত বাংলাদেশ এ্যাক্রেডিটেশন বোর্ডের (বিএবি) কার্যালয় পরিদর্শন উপলক্ষে  আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু আজ আনুষ্ঠানিকভাবে এ স্বীকৃতির কথা জানান।

বিএবি’র মহাপরিচালক মোঃ আবু আবদুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শিল্পসচিব মোঃ মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া এনডিসি, বিএসটিআই’র মহাপরিচালক ইকরামুল হক, ডাইসিন গ্রুপের চেয়ারম্যান মোঃ মিজানুর রহমান, এসজিএস এর কোয়ালিটি ও সেফটি বিষয়ক ব্যবস্থাপক মোস্তাক পারভেজ বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৪-৯৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে চিংড়ি রপ্তানিকালে লোহা মিশিয়ে ওজন বাড়ানোর অপচেষ্টার ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশ ইমেজ সংকটে পড়ে। এ প্রেক্ষিতে রপ্তানির ক্ষেত্রে গুণগতমান বজায় রাখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় বাংলাদেশ এ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড গঠন করা হয়। বিএবি’র ল্যাবরেটরি এ্যাক্রেডিটেশন কার্যক্রম আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা পাওয়ায় বিশ্ববাজারে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান কারিগরি ও অশুল্ক বাধা (ঞবপযহরপধষ ইধৎৎরবৎং ঃড় ঞৎধফব- ঞইঞ) দূর হবে এবং রপ্তাণি বাণিজ্য উল্লেখযোগ্যহারে বৃদ্ধি পাবে। তিনি এ অর্জন ধরে রাখতে বিএবিকে আরো কঠোর নিয়ম নিষ্ঠার সাথে কাজ করার নির্দেশনা দেন।

আমির হোসেন আমু বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক নিয়ে প্রতিযোগিদের ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে। এ ষড়যন্ত্রের মোকাবেলায় পণ্যের গুণগতমান উন্নত করার পাশাপাশি পরীক্ষণ ল্যাবরেটরির সক্ষমতা বাড়াতে হবে। সক্ষমতা বৃদ্ধির এ কার্যক্রমের আওতায় বিএবি এ পর্যন্ত প্রায় ৪২২ জন বিভিন্ন ল্যাবরেটরীর কর্মকর্তাদের মান ও টেকনিক্যাল বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করেছে। এ উদ্যোগের জন্য বিএবিকে ধন্যবাদ জানান। অর্জিত এ আন্তর্জাতিকমান ধরে রাখতে সক্ষম হলে, বিদেশী টেস্টিং ল্যাবরেটরী সমূহ বিএবি থেকে এ্যাক্রেডিটেশন গ্রহণে আগ্রহী হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ এ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি) বর্তমানে পণ্যের ওজন ও পরিমাপ (ক্যালিব্রেশন), মেডিক্যাল ল্যাবরেটরি, সার্টিফিকেশন বডি, ইন্সপেকশন বডি ও হালাল সার্টিফিকেশনের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনের লক্ষ্যে কাজ করছে। খুব শীঘ্রই এসব খাতেও বিএবি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাবে। এর ফলে বিদেশ থেকে পণ্যের গুণগতমান সনদ নিতে যে অর্থ ও সময় খরচ হয়, তা সাশ্রয় হবে। বর্তমানে গুণগত মান সনদখাতে উদ্যোক্তাদের মোট রপ্তানির শতকরা ২০ ভাগ ব্যয় হচ্ছে। এ হিসেবে সকল বিষয়ে বিএবি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলে, বছরে ন্যূনতম ৬ বিলিয়ন ডলার সাশ্রয় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।  
 
(মোঃ তৌহিদুর রহমান)
সহকারী পরিচালক
বাংলাদেশ এ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড
ফোনঃ ৯৫৮৬০৯১ (অফিস)

 


Share with :
Facebook Facebook